The huminity

The Humanity is the human species, and may also refer to

Advertisements

জীবনপথের কথামালা

মিডল স্ট্যাম্প

ছোটবেলা থেকেই নিজেকে স্বাধীন ভাবতে ভালো লাগতো। সময় স্রোতের অনুকূলে যত এগুতে শিখছি ততই ক্ষয়িষ্ণু রুপে যাচ্ছে স্বাধীনতা। কখনো ভেবে অবাক হই কই অামার সোনালি সে সময়? বাড়ীর সামনের রাস্তায়, উঠানে, মাঠে ফড়িং ধরেছি। ফড়িংয়ের লেজ ছিড়ে লম্বা সুতা বেঁধে দিয়ে কত ফড়িংকে যে কষ্ট দিয়েছি অার মঝা লুটেছি, “বলি” গাছের ডাল কেটে “চপ্পুল-ডান্ডা” খেলা, “বলির” বিচি অার ঔষদের মোড়ক দিয়ে বাস-ট্রাক তৈরি, মার্বেল দিয়ে “অানটোস” খেলা, “অানটোস” খেলে হাত ফুলালো, কত মন্ত্রতন্ত্র দিয়ে “গোস্ত-গোস্ত” অার “বউচি” খেলা অাজ সবই স্মৃতিকথা। রাস্তার এপার-ওপার ক্রিকেট টুনামেন্ট আর পুরুষ্কার হিসেবে অায়না, গ্লাস, জগ কোথায় হারিয়েছে গেছে। নাড়কেল ডগার সলা অার বাজার থেকে সদাই সহ নিয়ে অাসা পলিথিন কেটে সুতা লাগিয়ে ঘুড়ি উড়ানোর সখ এখনো মিটেনি। ঘুড়ির সুতায় কাটাকাটি খেলাও জমতো। একবার বড় ভাইয়া একটা ঘুড়ি বিকেলে উড়িয়ে রাতে বাসার ছাদে উড়ানো অবস্থায় অাটকে রেখেছিল রিতিমত সকালে হাওয়া হয়ে যায়। কতবারযে এবাড়ী ওবাড়ীর গাছে ঘুড়ি অাটকে গিয়েছিল তা নিয়ে বহু গল্প লিখা যাবে। সবচেয়ে বেশি খেলা হতো ক্রিকেট তারপরও ক্রিকেটে অামি সমবয়সী এবং ছোটদের তুলনায় দুর্বল ছিলাম।
ক্রিকেট নিয়ে একটা মঝার ঘটনা বলি- একবার বাড়ী থেকে সম্পর্কের নানা বাড়ী গিয়েছিলাম। নানা বড়ীর পাশেই ছিল প্রাইমারি স্কুল। স্কুল মাঠে বিকেল ক্রিকেট খেলা খেলছে, অামি অার মামাতো ভাই দুজন দুদলে নেমে পরলাম। প্রথমে অামাদের ফিল্ডিং। খেলা চলছে হঠাৎ ক্যাচ উঠল তাও অমার বরাবর, ক্যাচের ফলাফল অামার অাগেই জানা। তারপরও চেষ্টা না করলে কেমন দেখায়। মাঠ বেশি বড় না, একদিকে ক্ষেত পাটের চারা মাঝা সমান বড়। বল সেদিকে অামিও দৌঁড় বল বরাবর অামি পাটের চারার সাথে পেঁচিয়ে পরে যাই। বল কুঁড়িয়ে ফেড়ত দিলাম সবাই অামাকে বাহা-বাহ দিল কিছু বুঝলাম না, ভাবলাম তিরস্কার করছে। অাহা নতুন ব্যাটসম্যান। মানে তারা ভাবছিল অামি ক্যাচ ধরে তার পর পরে যাই। অামি তখনো নিশ্চিত না আউট হয়েছে, ভাবতেছি অাগের ব্যাটসম্যানকে উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনার সত্যতা জানতে পারি অামাদের ব্যাটিংয়ের সময়। অামাকে ওপেনিং নামানোর জন্য দু’তিনজন চিল্লানী দিল! বলছে ও অনেক রিস্কের একটা ক্যাচ ধরছে। ও অাগে নামবে।
বলার বল করা শুরু করলেন এদিকে অামি প্রস্তুত সজোরে ব্যাট ঘুরালাম। প্রথম উইকেটের পতন। মিডল স্ট্যাম্প।

চলবে—

ঢালচর , রোয়ানু, বজ্রপাত,১৫০টি গরু ও সংবাদমাধ্যম

image
ঢালচর এলাকায় মৃত গরু

গত ২১ মে ২০১৬ শনিবার বাংলাদেশের উপকূলে অাঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু। পত্র পত্রিকায় -+২৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে এ রবকম ঘূর্ণিঝড় প্রায় প্রতিবছরই ছোট বা মাঝারি কিংবা বড় অাকারে হচ্ছে।
বাংলাদেশের উপকূলে অবস্থিত  এবং সবচেয়ে বড় দ্বীপ জেলা ভোলার  সর্বদক্ষিণে পলি মাটি গঠিত দ্বীপচর ঢালচরে রোয়ানু কি করছে? তা নিয়ে  কিছু কথা।

image
ঢালচরের অবস্থান

গোল চিহ্ন টি ঢালচর তার পূর্বপাশে চর নিজাম।।
দ্বীপচরটিতে  প্রায় দশ হাজার মানুষের বসতি। প্রশাসনিক ভাবে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিন আইচা থানার একটি ইউনিয়ন। এখানকার মানুষগুলোর প্রধান অায়ের জায়গা মাছ শিকার করা এবং পশুপালন ( এখানকার পশুপালন সম্পর্কে জানতে https://munna313.wordpress.com/2015/12/30/রাখালহীন-পশুর-পাল/ )।  ঢালচরের লোকজন যে পশু পালন করে তার মধ্যে গরুই প্রধান। গরু শুধু ঢালচরে পালন করে না বরং তার পূর্বে একট দ্বীপচর (স্থানীয় ভাষায় পুবের চর বলে) চরনিজামেও ছেড়ে দেয়। ২১ মে রোয়ানুর প্রভাবে পানি উচ্চতা বেড়ে ভাটির সময় স্রোতের গতি বেশি ছিল তাই বন ছেড়ে যে সব গরু ঘাসের জায়গায় অাসে তারা পানির কারণে উচু জায়গায় যেতে পারেনি তাই ভেসে যেতে হয় বঙ্গোপসাগরে অার অংশ নিতে হয় মৃত্যুপুরীতে। গরুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৫০ টির।

image
তারুয়া সমূদ্রসৈকত এলাকায় গরুর শবদেহ

এবার অাসি গরুর মালিকদের অবস্থায়।  সকাল থেকেই বৃষ্টি পানি বাতাশ  ঘর বাড়ি টিকিয়ে রাখাই দায় অার গরু! ঢালচরে সব মাছের পুকুর এখন রোয়ানুর জালে ছেকা। নুন অানতে পানতা পুরায় এমন লোক রয়েছে যাদের একমাত্র ভরসাই ছিল গরু কিন্তু রোয়ানুর করাতলে পৃষ্ঠ আজ।
একথা বাস্তব উপকূলের এ সংবাদ সংগ্রহ করা মিডিয়া কর্মীদের কাছে দুষ্কর কিন্তু তাই বলে তথ্য প্রযুক্তির এ সময় এ ধরনের সংবাদ মিডিয়াতে একদম না অাসাটা দু:খজনক। যার ৪টা গরু ছিল যে অাজ নি:স্ব। যার ভরসা পুকুরের মাছ সে অাজ ভিখারি অথচ ত্রাণ কর্তারা এ সংবাদ জানবে না তা হয় না।

(গতকাল) এক সপ্তাহ পরে ২৭ মে ঢালচরের তারুয়া সমূদ্র সৈকতে এলাকায় প্রায় ২০ মৃত্য গরুর দেহ পাওয়া যায়। চরফ্যাশনেরর জনৈক সাংবাদিকের ফেইজবুকে দেখলাম ঢালচরে বজ্রপাতে ১৫০ গরুর মৃত্যু শিরনামে কিছু ছবি একটি অনলাইনে কিছু নিউজ এরকম হয়েছে যা সত্য ঘটনা উঠে আসেনি http://www.bholarsangbad.com/5606।  খোঁজ নিয়ে শুনলাম রোয়ানুতে যে সব গরু পানিতে ভেসে গিয়েছিল সেসব গরুর মৃতদেহ।

কি বলতে চাই:
১. উপকূলের সাংবাদিকরা এখনো দূর্বল।
২. যার কাবণে রোয়ানুকে ক্ষয়ক্ষতির হিসাবে সঠিক তথ্য অাসবেনা।
৩. ঢালচরের এ বন্যা যুদ্ধে সংগ্রামীদের অবস্থা কেউ জানলোনা।
৪. স্থানীয় সাংবাদিকদের দৃষ্টি অাকর্ষন করছি সত্যতা যাচাই করে সংবাদ পরিবেশন করুন,  মুল ঘটনা জানার চেষ্টা করুন।

Report on St. Martin Island.

image
Photo of St. Martin Islan Bangladesh.

Report  On A Field Study Of Geographical Expedition Space Time Environment and Society In Saint Martin Island (Study tour-2015)  

Course Code: 209    

Date of Submission: – 07.05.2016    

Submitted To:-

PROF. DR. SHEIKH TAWHIDUL ISLAM
REZAUL RONI (Assistant professor)
EBADULLAH KHAN (Lecturer)
MD. ANARUL HAQUE MONDOL (Lecturer)
Responsible Teacher of Study Tour-2015
Dept. Of Geography and Environment Savar, Dhaka-1342

Submitted By:- ABDUL MANNAN  Class Roll: 653 Exam. Roll: 140925 Registration No: 37853

DEPT. OF GEOGRAPHY AND ENVIRONMENT  JAHANGIRNAGAR UNIVERSITY SAVAR, DHAKA-1342

Continue reading “Report on St. Martin Island.”

দুই বছরের ঘনঘটা!!

image

নামই শুনেছি দেখিনি কখনো ভাবতাম অার কল্পনা জগতে গল্প লিখতাম। গল্পের কখনোই সমাপ্তি ঘটেনি  ইতো:মধ্যে  নাটক লেখা শুরু হয়ে গেল, অাবার কবিতা কিংবা ছড়া। বিশ্ববিদ্যালয়ে অামি ২০১৪ সালের ২৮ এপ্রিল প্রথম অামার পাদুকায় ভর করে ক্লাশে প্রবেশ করলাম। দু’বছর পেরুলো অাথচ এখনো নতুন মনে হয়। অার মাত্র তিন বছর থাকবো এ গল্পউপন্যাসের প্রতিপাদ্য চারণ ভূমিতে। বস্তু বলতে শুধু দু-একখানা কাগজ দিয়ে বিদায় জানাবে ।

ভালোবাসা দিবস : শুধু একদিকে কেন?

ভালোবাসা কি?

image

ভালোবাসা কি শুধু কথিত প্রেমিক-প্রেমিকাদের সারপ্রাইজ অাদান-প্রদান। রাস্তার মোড়ে, পথের পাশে, রিসোর্টের কাছে লাল-নীল কিংবা বাহারি রঙ্গের ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। ঐ কথিত ফ্রেন্ডকে তা তুলে দেয়া। অথবা কিছু বিষয় ভাল কি না মন্ধ সেটা বুঝি না, তবে বিষয়গুলোকে বলতে গেলে এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করতে হবে সে শব্দ বা বাক্য যে নিশ্চিত নোংরা হবে তা খুব ভালো করেই বুঝি।

ভালবাসা কি তাতে নেই?
যেদিন বাড়ী থেকে দুরে চলে অাসি, মা ঘরের দরজা,উঠান, বাড়ীর দরজা, শেষে রাস্তা পর্যন্ত আসে। আরহালকা কান্না জড়িত কন্ঠে বলে- সাবধাণে চলাফেরা করিও! অামার চলে আসার সেই সরু পথ পানে তার দৃষ্টিটুক, মাঝে মাঝে মনে হয় মা বুঝি এখনো তাকিয়ে আছে। আর বলছে এইযে আমার সোনা মনি। এখানে কি ভালোবাসা নেই?

বোনের সাথে হয়তো কোন কারণে কথা বলা হয় নাই, বোন রাগের অভিনয়ে বলে- যাহ! তুই আমার ভাই না! এ রাগে কি ভালোবাসা নেই?

বাবার মাথার ঘাম পায়ে, শুধু অামরা( ভাই-বোনেরা) একটু শান্তিতে থাকবো। কিংবা সংসারের টানাপোড়ন চিন্তার পাহাড় হয়তো বাবাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে অামাকে তা একটুও বুঝতে দেয়না। এ পরিশ্রমে, এ চিন্তায় কি ভালোবাসা নেই?

আই লাভ ইউ মা!
আই লাভ ইউ বাবা!

আসুন ভালোবাসার পাত্র মা, বাবাকে ভালোবাসা দিবসের উইস করি।
ভালবাসা শুধু একদিকে নয়, সব দিকে অথ্যাৎ পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রকেও হতে পারে। একদিকে হলেও হত কিন্তু তাও নোংরামির যাদু খেলা।
ধিক! তাদের যারা প্রতারক।

বালির চরে পললে

মঞ্জু স্যার, আমার জীবনের এক অাদর্শ বলা চলে। হাজার অভিজ্ঞার ভিড়ে পলল মাটি বালির চত্ত্বর হেটে গিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য অাজ অন্তরে গভীরভাবে নাড়া দেয়। কতবার যে মাছ হাত থেকে ছুটে যেত আর স্যার ছোট্ট বকুনি দিতেন। ভালোবাসার সেই বকুনি আজ স্মৃতিপদক হয়ে আছে। বকুনিতেও যে শেখার ছিল অাজ বুজতে অসুবিধা হয়না। স্যার শুধু বকুনি দিয়ে যে ভালবাসা প্রকাশ করতেন তা নয়। পথ চলতে চলতে গল্প বলতেন তার অভিজ্ঞা শেয়ার করতেন।
ঢালচরে পশ্চিম ঘাট থেকে অারো দক্ষিন দিকে মাঝার চরে , তাউরা ( তারুয়া) ঝাই জাল নিয়ে মাছ ধরতাম।